Transliteration: (Wallazeena yu'minoona bimaa unzila ilaika wa maaa unzila min qablika wa bil Aakhirati hum yooqinoon)
এবং যারা বিশ্বাস রাখে, যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, হে প্রিয় নবী! এবং যা তোমার পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছে [16], এবং যারা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে [17]
এবং যারা বিশ্বাস রাখে, যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, হে প্রিয় নবী! এবং যা তোমার পূর্বে অবতীর্ণ হয়েছে [16], এবং যারা আখিরাতে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে [17]
"যা অবতীর্ণ হয়েছে" বলতে বোঝানো হয়েছে শুধু পূর্ণ কুরআন শরীফ নয়, বরং সম্পূর্ণ শরিয়তের বিধানসমূহকেও, যার মধ্যে হাদীস শরীফও অন্তর্ভুক্ত—কারণ হাদীস হল নবী ﷺ এর পক্ষ থেকে ওহীর ব্যাখ্যা ও দিকনির্দেশনা।
এই আয়াত শুধু কুরআন বোঝাতে চাইলে এত বিশদ ও জোরালো ভাষা ব্যবহার হতো না।
এছাড়াও এটি প্রমাণ করে যে—
এই বিশ্বাসের দুটি স্তর রয়েছে:
"আখিরাত" বলতে বোঝায় মৃত্যু পরবর্তী সমস্ত বিষয়—যেমন:
এসবের উপর বিশ্বাস রাখা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ।
এই আয়াতে "নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে" বলে শুধু মুখের স্বীকারোক্তিকে নয়, বরং অন্তরের দৃঢ়তা ও আত্মিক নিশ্চিততাকে বোঝানো হয়েছে।
তাছাড়া প্রকৃত ঈমান তখনই পূর্ণ হয়, যখন তা কর্মের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
যদি কেউ আখিরাতে বিশ্বাস রাখার দাবি করে, কিন্তু তার জীবনে সৎকর্মের প্রতিফলন না থাকে, তাহলে সেই ঈমান দুর্বল হিসেবে বিবেচিত হয়।
এজন্যই আগের আয়াতে সালাত কায়েম করা ও আল্লাহর পথে ব্যয় করার মতো আমল আগে বলা হয়েছে—যাতে বোঝায়, এই ঈমান কথায় নয়, কর্মেও দৃশ্যমান হতে হবে।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 4 তাফসীর