Transliteration: (Wa izaa qeela lahum aaminoo kamaaa aamanan naasu qaalooo anu'minu kamaaa aamanas sufahaaa'; alaaa innahum humus sufahaaa'u wa laakil laa ya'lamoon)
আর যখন তাদের বলা হয়, “তোমরা ঈমান আনো, যেমন অন্যরা ঈমান এনেছে,” তখন তারা বলে, “আমরা কি সেই বোকার মতো ঈমান আনব?” সাবধান! প্রকৃত বোকারা তো তারাই, কিন্তু তারা জানে না [28]।
আর যখন তাদের বলা হয়, “তোমরা ঈমান আনো, যেমন অন্যরা ঈমান এনেছে,” তখন তারা বলে, “আমরা কি সেই বোকার মতো ঈমান আনব?” সাবধান! প্রকৃত বোকারা তো তারাই, কিন্তু তারা জানে না [28]।
সত্যিকার ঈমানদারদের অবজ্ঞা করা মুনাফিকদের স্বভাব।
ইতিহাসে যেমন রাফেজিরা সাহাবায়ে কেরামকে গালি দিয়েছে, খারেজিরা আহলে বায়তের প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে, গায়র মুকাল্লিদরা ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-কে টার্গেট করেছে এবং ওহাবিরা অলিয়াদের অবমূল্যায়ন করেছে—এই সব গোষ্ঠীকে এই আয়াতের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে।
আল্লাহ নিজেই তাঁর নেককার বান্দাদের পক্ষ নেন।
এই আয়াতে মুনাফিকদের ‘মূর্খ’ বলে আখ্যায়িত করে আল্লাহ প্রমাণ করেন যে, যারা সত্যিকারের ঈমানদারদের নিয়ে ঠাট্টা করে, জ্ঞান ও বুদ্ধি থেকে তারা বঞ্চিত।
যারা ধর্মহীন ও দ্বীনের শত্রু, তাদের অপমান বা সমালোচনায় আলেমদের নিরুৎসাহিত হওয়া উচিত নয়।
এই আচরণ নতুন নয়—প্রাচীনকাল থেকেই নেককার ও জ্ঞানীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষী ভাষা ব্যবহার চলে এসেছে, তাই আলেমদের উচিত অটল ও দৃঢ় থাকা।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 13 তাফসীর