Transliteration: (Fa-iza qadaitum manaa sikakum fazkurul laaha kazikrikum aabaaa'akum aw ashadda zikraa; faminannaasi mai yaqoolu Rabbanaaa aatinaa fiddunyaa wa maa lahoo fil Aakhirati min khalaaq)
তখন যখন তোমরা হজ্বের কার্যাবলী সম্পন্ন করো, তখন তোমাদের পূর্বপুরুষদের যেভাবে স্মরণ করতে, তেমনি আল্লাহকে স্মরণ করো, বরং তাঁর স্মরণ আরও অধিকভাবে করো [470]। আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ বলে, আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে দাও এই দুনিয়াতেই। অথচ পরকালে তাদের কোন অংশ নেই [471]।
এই আয়াতে হজের কার্যাবলী শেষ হওয়ার পর আল্লাহকে উচ্চস্বরে স্মরণ করার প্রতি উৎসাহ দেয়া হয়েছে। জাহিলিয়াত যুগে আরব কাফিররা তাদের পূর্বপুরুষদের নাম উচ্চস্বরে ও প্রকাশ্যে স্মরণ করত। ইসলামে সে অভ্যাসকে আল্লাহর নামে রূপান্তর করার নির্দেশ এসেছে, যাতে মুসলিম সমাজে সামষ্টিক ইবাদত ও আল্লাহর স্মরণ মুখ্য হয়ে ওঠে।
এই আয়াতে বলা হয়েছে, কিছু মানুষ শুধুমাত্র দুনিয়ার লাভের জন্য দোয়া করে— হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের দাও এই দুনিয়াতে। এ ধরনের দোয়া সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন, যেখানে আখিরাতের কল্যাণ অনুপস্থিত।
আয়াতটি শিক্ষা দেয় যে, ইবাদত ও দোয়ার সময় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ইচ্ছাই প্রধান হওয়া উচিত। শুধু দুনিয়াবী সুবিধার পেছনে না ছুটে, আত্মিক উন্নতি ও চিরস্থায়ী পুরস্কার কামনা করা উচিত।
যারা শুধু দুনিয়াই চায় এবং আখিরাতকে অবহেলা করে, তারা পরকালের কোন কল্যাণ পাবে না। এটি চিরস্থায়ী জীবনের প্রতি বিশ্বাসহীনতা এবং কেবল অস্থায়ী আকাঙ্ক্ষার উপর নির্ভরশীলতার ফলাফল।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 200 তাফসীর