Transliteration: (Laa junaaha 'alaikum in tallaqtumun nisaaa'a maa lam tamassoohunna aw tafridoo lahunna fareedah; wa matti'hoohunna 'alal moosi'i qadaruhoo wa 'alal muqtiri qadaruhoo matta'am bilma'roofi haqqan 'alalmuhsineen)
তোমাদের জন্য তাতে কোনো গোনাহ নেই যদি তোমরা এমন নারীদের তালাক দাও, যাদের সাথে তোমরা সহবাস করোনি [580], অথবা যাদের জন্য কোনো মহর নির্ধারণ করোনি [581]। তবে তাদেরকে উপকৃত করো, সামর্থ্য অনুযায়ী—ধনীর জন্য তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী, আর গরিবের জন্য তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী—এটি উপকারকারীদের ওপর একটি আবশ্যক বিষয় [582]।
✅ [580] সহবাস না করেই তালাক দিলে গোনাহ নেই, তবে কিছু দায়িত্ব রয়ে যায়
🔹 “সহবাস করোনি” দ্বারা বোঝানো হয়েছে—যদি দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন না হয়, তবে সম্পূর্ণ মহর ওয়াজিব নয়।
🔹 তবে ইসলামী আইনে যদি নিরিবিলি এমন অবস্থায় দুজনের সাক্ষাৎ ঘটে যেখানে সহবাসের বাধা না থাকে (খিলওয়াত-এ-সাহীহা), তাহলে সেটিকেও সহবাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
✅ [581] মহর নির্ধারণ না করলেও বিবাহ বৈধ
🔹 এই আয়াত প্রমাণ করে যে, মহর নির্ধারিত না হলেও বিবাহ বাতিল হয় না।
🔹 তবে যদি সহবাস না হয় এবং মহরও নির্ধারিত না থাকে, তাহলে কোনো মোটা অঙ্কের দেনা হয় না—শুধু সামান্য উপহার দিতে হয়।
🔹 কিন্তু সহবাস হয়ে গেলে—even without specifying mahr—তাহলে রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ মেহর-এ-মিসল দিতে হয়।
🔹 এবং তালাক দেওয়ার অধিকার কেবল স্বামীর, স্ত্রীর সম্মতির ওপর নির্ভরশীল নয়।
✅ [582] সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়া ফরজ
🔹 যদি মহর নির্ধারিত না থাকে এবং সহবাসও না হয়, তবুও কিছু না কিছু উপহার দেওয়া আবশ্যক।
🔹 সাধারণত এটিকে একটি পোশাক বলা হয়—যেটি আর্থিক সামর্থ্য অনুসারে হওয়া উচিত।
🔹 ধনী হলে দামী পোশাক, দরিদ্র হলে সাধারণ পোশাক, যাতে তালাকপ্রাপ্ত নারীর মর্যাদা রক্ষা পায়।
✅ [583] অ-সহবাস তালাকের প্রধান হুকুম
🔹 যদি তালাক হয় এমন অবস্থায় যেখানে সহবাস হয়নি এবং মহরও নির্ধারিত হয়নি, তবে স্বামীকে একটি জামা-কাপড় দিতে হবে (সাধারণত জামা, পায়জামা ও ওড়না)।
🔹 এই উপহার তার আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হতে হবে।
🔹 এটি ইসলামী পারিবারিক আইনের ন্যায়পরায়ণতা ও সহানুভূতির প্রমাণ।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 236 তাফসীর