কুরআন - 3:52 সূরা আলে ইমরান অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

52
۞فَلَمَّآ أَحَسَّ عِيسَىٰ مِنۡهُمُ ٱلۡكُفۡرَ قَالَ مَنۡ أَنصَارِيٓ إِلَى ٱللَّهِۖ قَالَ ٱلۡحَوَارِيُّونَ نَحۡنُ أَنصَارُ ٱللَّهِ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَٱشۡهَدۡ بِأَنَّا مُسۡلِمُونَ

Transliteration: (Falammaaa ahassa 'Eesaa minhumul kufra qaala man ansaaree ilal laahi qaalal Hawaariyyoona nahnu ansaarul laahi aamannaa billaahi washhad bi annaa muslimoon)

অনুবাদ -

অতঃপর যখন ঈসা তাঁদের মধ্যে থেকে অবিশ্বাস অনুভব করলেন [114], তখন বললেন: “আল্লাহর পথে কে হবে আমার সাহায্যকারী?” হাওয়ারীগণ বলল: “আমরাই হব আল্লাহর দীন এর সাহায্যকারী [115]। আমরা আল্লাহে ঈমান এনেছি, এবং তুমি সাক্ষী থাকো যে আমরা মুসলিম।”

সূরা আলে ইমরান আয়াত 52 তাফসীর




📖 সূরা আলে ইমরান – আয়াত ৫২ এর ব্যাখ্যা

 

✅ [114] অবিশ্বাসকে কুফরি হিসাবে চিহ্নিত করা

“অবিশ্বাস অনুভব করলেন” অর্থাৎ ইয়াহুদীদের বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব এবং ঈসা (আঃ)-কে হত্যা করার ষড়যন্ত্রই ছিল কুফর। কারণ, নবীকে কষ্ট দেওয়ার মনোভাব-ও কুফরি হিসেবে গণ্য হয়। বিপরীতে, নবীকে সম্মান ও সাহায্য করাই ঈমানের মৌলিক দাবি।

✅ [115] হাওয়ারীগণের ঘোষণা ও তা থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা

এই জবাবের মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার হয়:

  • সৎ ও ধার্মিক ব্যক্তিদের সাহায্য চাওয়া নবীদের সুন্নত, বিশেষ করে সংকটের মুহূর্তে।
  • নবীর সাহায্য মূলত আল্লাহর সাহায্যই, কারণ হাওয়ারীগণ ছিলেন আল্লাহর ধর্মের সহায়ক, ঈসা (আঃ)-এর মাধ্যমে।
  • হাওয়ারীগণ আজও “নাসারা” নামে পরিচিত, যাদের নামকরণ “সহায়তা” শব্দ থেকেই এসেছে, যা নবীর সাহাবাদের নামকরণের অনুরূপ।
  • ঈমানকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা সুন্নত, ঈমান লুকানো নয় বরং জানানো উচিত।
  • নবীকে ঈমানের সাক্ষী বানানো প্রশংসনীয় কাজ, যেমন হাওয়ারীগণ বলেছিলেন, “তুমি সাক্ষী থাকো।”

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now