Transliteration: (Innaa haazaa lahuwal qasasul haqq; wa maa min ilaahin illal laah; wa innal laahaa la Huwal 'Azeezul Hakeem)
নিশ্চয়ই, এটাই হল সত্য বর্ণনা [135], আর আল্লাহ ছাড়া আর কেউ উপাসনার যোগ্য নয় [136]। নিশ্চয়ই, একমাত্র আল্লাহই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
এই আয়াতের মাধ্যমে হযরত ঈসা (আ.) সম্পর্কে সত্য কাহিনী সম্পূর্ণ হয়, যা প্রমাণ করে: তিনি নবী, আল্লাহর পুত্র নন; তাঁর অলৌকিক জন্ম, তাঁর মুজিজা ও বাণী — সবই সত্য। যখন রাসূল ﷺ হাসান, হুসাইন, ফাতিমা ও আলি (রা.)-কে সঙ্গে নিয়ে মুবাহালার জন্য এগিয়ে এলেন, তখন নাজরানের খ্রিষ্টান পুরোহিতেরা আহলে বাইতের উজ্জ্বল মুখমণ্ডল দেখে পিছিয়ে যান। হাদীস অনুসারে, যদি তারা মুবাহালায় অংশ নিত, তবে তাৎক্ষণিক ধ্বংস হয়ে যেতো।
এই আয়াত তাওহীদের শক্তি পুনর্ব্যক্ত করে এবং ঈসা (আ.)-কে আল্লাহর পুত্র বলার ভুল যুক্তি ভেঙে দেয়: যদি ঈসা (আ.) সত্যিই আল্লাহর পুত্র হতেন, তবে মরিয়ম (রা.)-কে আল্লাহর স্ত্রী ধরা লাগত, যা তাদের উভয়কেই ঈশ্বরত্বের গুণে ভূষিত করত—এটি সম্পূর্ণ ভুল।
কিন্তু বাস্তবতা হলো: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি মানবীয় গুণাবলীর ঊর্ধ্বে।
এছাড়াও, এটি আমাদের শেখায়: ভালবাসা বা বান্দেগি-এর জন্য একই প্রকার হওয়া আবশ্যক নয়— যেমন:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 62 তাফসীর