Transliteration: (Innal lazeena yashtaroona bi'ahdil laahi wa aymaanihim samanan qaleelan ulaaa'ika laa khalaaqa lahum fil Aakhirati wa laa yukallimuhumul laahu wa laa yanzuru ilaihim Yawmal Qiyaamati wa laa yuzakkeehim wa lahum 'azabun 'aleem)
যারা আল্লাহর অঙ্গীকার ও তাদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করে দেয় [162], আখিরাতে তাদের কোন অংশ থাকবে না। আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না [163], তাদের পবিত্রও করবেন না, এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি [164]।
এই হুঁশিয়ারির অন্তর্ভুক্ত তারা, যারা:
মিথ্যা শপথ করে সম্পদ আত্মসাৎ করে,
ঘুষের বিনিময়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়,
ইচ্ছাকৃতভাবে মামলায় হেরে যাওয়ার জন্য টাকা নেয়,
অন্যায়ের পক্ষে ফতোয়া দেয় ইত্যাদি।
আল্লাহ আমাদের এসব দুর্নীতিপূর্ণ কাজ থেকে রক্ষা করুন।
আলেমদের মতে:
আল্লাহ তাদের সঙ্গে করুণা করে কথা বলবেন না, বরং রহমত থেকে বঞ্চিত করবেন।
সুফিরা বলেন:
এরা আল্লাহ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন থাকবে, এমনকি জাহান্নামেও।
এই বিচ্ছিন্নতা নিজেই একটি ভয়াবহ শাস্তি।
আল্লাহ বলেন: “নিশ্চয়ই সে দিন তারা তাদের প্রভুর দৃষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকবে” (সূরা ৮৩:১৫)।
তারা পবিত্র হবে না, ক্ষমাও করা হবে না।
কাফিরদের শাস্তি চিরস্থায়ী,
মুমিনদের ক্ষেত্রে ক্ষমা বা দয়ায় মুক্তি মিলতে পারে, তবে এই অপরাধ গুরুতর।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তিন শ্রেণির লোকের সঙ্গে কিয়ামতের দিনে আল্লাহ কথা বলবেন না, তাদের ক্ষমা করবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি:
১. যারা দান করে গর্ব করে,
২. যারা অহংকার করে কাপড় টেনে পরে,
৩. যারা মিথ্যা শপথে বেচাকেনা করে।”
এরপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করেন।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 77 তাফসীর