Transliteration: (Wattaqoo yawmal laa tajzee nafsun 'an nafsin shai 'anw wa laa yuqbalu minhaa 'adlunw wa laa tanfa'uhaa shafaa 'atunw wa laa hum yunsaroon)
আর ভয় করো সেই দিনের, যেদিন কোনো প্রাণ অন্য কোনো প্রাণের পরিবর্তে কিছুই দিতে পারবে না [246]; কোনো মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না, কোনো সুপারিশ উপকারে আসবে না অবিশ্বাসীদের জন্য, এবং তাদের সাহায্যও করা হবে না [247]।
এটা মনে রাখা জরুরি যে, যখন তাকওয়া শব্দের পর আগুন বা জাহান্নামের উল্লেখ থাকে, তখন তা জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য সচেতনতা বোঝায়। আর যখন আল্লাহর স্মরণ বা কিয়ামতের দিনের প্রসঙ্গ আসে, তখন তাকওয়া মানে আল্লাহর ভয় বোঝানো হয়।
📌 এই আয়াতে “ভয় করো” (ইত্তাকু) দ্বারা বোঝানো হয়েছে: আল্লাহকে ভয় করো, কারণ সেদিন কেউ নিজে রক্ষা পাবে না, আর কাউকে রক্ষা করতেও পারবে না।
এই আয়াতে প্রথম “প্রাণ” দ্বারা বোঝানো হয়েছে সমস্ত সৃষ্টিকে, আর দ্বিতীয় “প্রাণ” মূলত অবিশ্বাসীদের বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ:
কিয়ামতের দিনে কেউ অবিশ্বাসীদের পক্ষ থেকে দাঁড়াতে পারবে না বা তাদের জন্য কিছু করতে পারবে না।
📌 বিশ্বাসীদের পরিণতি অন্যান্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে; এখানে অবিশ্বাসীদের শাস্তি ও হতাশার কথাই বিশেষভাবে বলা হয়েছে।
এই আয়াতে যেসব শাস্তি ও নিষেধাজ্ঞা এসেছে, তা শুধুমাত্র অবিশ্বাসীদের জন্য প্রযোজ্য। মুসলমানরা এ সকল ভয়ের আওতাভুক্ত নন। বরং, বিশ্বাসীদের জন্য সাহায্য ও সুপারিশ নিশ্চিত — যেমনটি কুরআনের অন্যান্য জায়গায় বলা হয়েছে।
📖 যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন: “আমার নেক বান্দারাই পৃথিবীর অধিকারী হবে।” (সূরা ২১: আয়াত ১০৫)
এতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, মু’মিনদের পরিণতি কিয়ামতের দিনে অবিশ্বাসীদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 123 তাফসীর