Transliteration: (Wa izib talaaa Ibraaheema Rabbuhoo bi Kalimaatin fa atammahunna qaala Innee jaa'iluka linnaasi Imaaman qaala wa min zurriyyatee qaala laa yanaalu 'ahdiz zaalimeen)
আর যখন তাঁর প্রভু ইব্রাহিমকে কিছু আদেশের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেন [248], এবং তিনি তা পূর্ণ করলেন, তখন আল্লাহ বললেন, “আমি তোমাকে মানুষের নেতা বানাবো” [249]। ইব্রাহিম বললেন, “আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও?” তিনি বললেন, “আমার অঙ্গীকার জালিমদের পর্যন্ত পৌঁছাবে না” [250]।
হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-কে কিছু ধর্মীয় বিধান ও জীবনের পরীক্ষায় ফেলা হয়েছিল, যা তিনি সম্পূর্ণভাবে পালন করেন। এসবের মধ্যে ছিল:
এছাড়াও তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ জীবন-পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যেমন:
এসব ছিল আনুগত্য ও ঈমানের গভীর পরীক্ষা।
আল্লাহ যখন বললেন, “আমি তোমাকে মানুষের ইমাম করবো”, তখন এর অর্থ নবুয়ত নয়, কারণ হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তখনই নবী ছিলেন। বরং, এই ইমামত বোঝায় বিশেষ কিছু সম্মান:
এই মনোনয়ন ছিল তাঁর অনন্য আনুগত্য ও নিবেদনের স্বীকৃতি।
ইব্রাহিম (আঃ) বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করেন: “আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও?” অর্থাৎ, তাঁর সন্তানদের মাঝেও যেন নেতৃত্ব দেওয়া হয়।
আল্লাহ উত্তর দেন: “আমার অঙ্গীকার জালিমদের পর্যন্ত পৌঁছাবে না।”
এখানে “জালিম” বলতে মূলত অবিশ্বাসী ও কাফিরদের বোঝানো হয়েছে—শুধু সাধারণ পাপীদের নয়।
যদি এই “অঙ্গীকার” দ্বারা বোঝানো হয় নবুয়ত বা ইমামত, তবে এ থেকে কিছু মৌলিক নীতিমালা প্রমাণিত হয়:
📌 ইতিহাসে এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ দেখা যায় হযরত ইমাম হুসাইন (রাঃ)-এর জীবনে, যিনি অত্যাচারী ইয়াজিদের বিরুদ্ধে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তিনি ইয়াজিদের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেননি; বরং শহীদ হওয়াকে গ্রহণ করেন, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 124 তাফসীর