Transliteration: (Qoolooo aamannaa billaahi wa maaa unzila ilainaa wa maaa unzila ilaaa Ibraaheema wa Ismaa'eela wa Ishaaqa wa Ya'qooba wal Asbaati wa maaootiya Moosa wa 'Eesaa wa maaa ootiyan Nabiyyoona mir Rabbihim laa nufarriqoo baina ahadim minhum wa nahnu lahoo muslimoon)
বলুন (হে মুসলমানগণ)! আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহর প্রতি, এবং সে বিষয়ে যা আমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, আর যা অবতীর্ণ হয়েছে ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক [271], ইয়াকূব এবং তাঁর সন্তানদের প্রতি [272], এবং যা দেয়া হয়েছিল মূসা ও ঈসাকে, এবং যা দেয়া হয়েছিল অন্য নবীদের [273] তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে। আমরা তাদের কাউকে বিশ্বাসের দিক থেকে পার্থক্য করি না [274], আর আমরা তাঁরই অনুগত।
এই আয়াতে আল্লাহ তা’আলা উল্লেখ করেছেন ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক ও ইয়াকূব (আঃ)-এর নাম, যাঁরা সকলেই ছিলেন মহান নবী।
ইসহাক ও ইয়াকূব (আঃ)-এর জন্য আলাদা কোনো সহিফা অবতীর্ণ হয়নি, বরং তাঁরা ইব্রাহীম (আঃ)-এর প্রতি নাযিলকৃত সহিফারই অনুসারী ছিলেন।
📌 তাই এখানে তাঁদের জন্য আলাদা করে ওহির উল্লেখ না করে, সামষ্টিকভাবে একই ধারার হিদায়াতের অংশ হিসেবেই তাঁদের তুলে ধরা হয়েছে।
কিছু উলামায়ে কেরাম এই আয়াত থেকে প্রমাণ গ্রহণ করেছেন যে, হযরত ইয়াকূব (আঃ)-এর সমস্ত সন্তান—যাদের মধ্যে ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইরাও অন্তর্ভুক্ত—তাঁরাও নবী ছিলেন।
এটি “সন্তানগণ” শব্দটি যে সম্মানিত নবীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তা থেকে বোঝা যায়।
এভাবে হযরত ইয়াকূব (আঃ)-এর বংশধারার সম্মান ও পবিত্রতা প্রতিফলিত হয়েছে।
এই আয়াত থেকে দুইটি মূলনীতি শিক্ষা পাওয়া যায়:
📌 যদিও নবীদের মর্যাদায় পার্থক্য রয়েছে, তবুও প্রত্যেকেই সত্য নবী এবং তাঁদের নবুয়তের উৎস এক ও নির্ভরযোগ্য।
এই আয়াতে ইসলামী আকীদার একটি মূলনীতি স্পষ্ট করা হয়েছে: সকল নবীর সত্যতা ও গ্রহণযোগ্যতায় ঈমান রাখা ফরয।
কোনো এক নবীকেও অস্বীকার করা কুফরী।
📌 আল্লাহ নিজে নির্দিষ্ট নবীদের উচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন, তবে বিশ্বাসের দৃষ্টিতে আমরা কাউকেই কম বা বেশি বলি না। মর্যাদায় পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসে বৈষম্য চলে না।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 136 তাফসীর