Transliteration: (Attalaaqu marrataani fa imsaakum bima'roofin aw tasreehum bi ihsaan; wa laa yahillu lakum an taakhuzoo mimmaaa aataitumoohunna shai'an illaaa ai yakhaafaaa alla yuqeemaa hudoodallahi fa in khiftum allaa yuqeemaa hudoodal laahi falaa junaaha 'Alaihimaa feemaf tadat bihee tilka hudoodul laahi falaa ta'tadoohaa; wa mai yata'adda hudoodal laahi fa ulaaa'ika humuzzaa limoon)
তালাক দুইবার পর্যন্ত [545]। এরপর কিংবা সুন্দরভাবে রাখবে [546], অথবা উত্তমভাবে বিদায় দিবে। আর তোমরা যা স্ত্রীদেরকে দিয়েছো, তা পুনরায় নেওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয় [547]। তবে যদি আশংকা করে যে, তারা আল্লাহর সীমা বজায় রাখতে পারবে না, তবে স্ত্রী যদি মুক্তির বিনিময়ে কিছু দেয়, তাহলে উভয়ের জন্য তাতে দোষ নেই [549]। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা—তোমরা সেগুলো অতিক্রম করো না। আর যারা আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে, তারাই জালেম।
এই অংশে তালাক-রাজ'ঈ বোঝানো হয়েছে, যার দ্বারা স্বামী ইদ্দতকালীন সময়ে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার অধিকার রাখে।
🔹 যদি ইদ্দতের মধ্যে স্ত্রীকে ফিরিয়ে না আনা হয়, তবে তালাক চূড়ান্ত হয়ে যায়।
🔹 স্পষ্টভাবে উচ্চারিত তৃতীয় তালাকের পর তা অবিচ্ছিন্ন তালাক হয়ে যায়—পুনরায় একত্রিত হতে হলে নতুন নিকাহ প্রয়োজন।
এই আয়াত নির্দেশ করে যে, তালাকের পর:
স্বামী তার স্ত্রীকে দেয়া মোহর বা উপহার ফেরত নিতে পারে না।
🔹 ফিকহবিদগণ বলেন, বিবাহ নিজেই এমন এক চুক্তি, যার দ্বারা এসব ফেরত নেওয়া বৈধ নয়।
🔹 এই নীতি উভয় পক্ষের জন্য প্রযোজ্য—স্বামী বা স্ত্রী কেউই একে অপরের উপহার ফেরত চাইতে পারে না।
এই আয়াতের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে পরিবার ও প্রবীণদের উদ্দেশেও আহ্বান করা হয়েছে।
🔹 তাদেরকে এমনভাবে সততার সাথে মধ্যস্থতা করতে বলা হয়েছে, যাতে আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন না হয়।
এই অংশে খোলা-র আলোচনা এসেছে, যেখানে স্ত্রী নিজে মুক্তির বিনিময়ে কিছু দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ চায়।
🔹 এই আয়াত হযরত জামীলা বিনতে আব্দুল্লাহ-এর ঘটনা উপলক্ষে নাজিল হয়, যিনি তালাক পেতে নিজের বাগান ফিরিয়ে দেন।
মূল বিধানগুলো:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 229 তাফসীর