Transliteration: (Yaa Baneee Israaa'eelaz kuroo ni'matiyal lateee an'amtu 'alaikum wa annee faddaltukum 'alal 'aalameen)
হে বনী ইসরাইল! তোমাদের প্রতি আমার যে বিশেষ নিয়ামতসমূহ [৮৯] আমি দান করেছিলাম, তা স্মরণ করো, এবং আমি তোমাদেরকে জগৎবাসীর উপর শ্রেষ্ঠতা দিয়েছিলাম [৯০]।
হে বনী ইসরাইল! তোমাদের প্রতি আমার যে বিশেষ নিয়ামতসমূহ [৮৯] আমি দান করেছিলাম, তা স্মরণ করো, এবং আমি তোমাদেরকে জগৎবাসীর উপর শ্রেষ্ঠতা দিয়েছিলাম [৯০]।
ইয়াকুব (আঃ)-এর সন্তানদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, আল্লাহ তাদের উপর নানারকম নিয়ামত দান করেছেন। এর মধ্যে প্রধান ছিল—অগণিত নবী পাঠানো, নেতৃত্ব ও রাজত্ব প্রদান, এবং অন্যান্য জাতির তুলনায় ধর্মীয় মর্যাদা ও আধ্যাত্মিক শ্রেষ্ঠত্ব দান। এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, যত বড় নিয়ামত, তত বড় শোকর ও দায়িত্ব প্রাপকের উপর আরোপিত হয়। শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অহংকার নয়—বরং তা বিশ্বাস, কৃতজ্ঞতা ও আনুগত্যের পরীক্ষা।
১. আল্লাহর নিয়ামত স্মরণ করাও একটি ইবাদত। অতএব, এমন মাহফিল ও অনুষ্ঠান, যেখানে আল্লাহর নিয়ামতসমূহ, যেমন মিলাদুন্নবী বা মেরাজের রাত—স্মরণ করা হয়, তা বিদআত নয়, বরং ইবাদতের একটি রূপ।
২. পূণ্যবানের বংশধর হওয়া—এটি একটি মর্যাদার বিষয়। যেমন, বনী ইসরাঈল শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছিল কারণ তারা নবীদের সন্তান। তদ্রূপ, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বংশধরগণ—যাদেরকে সায়্যিদ বলা হয়—তাদেরও মুসলিম সমাজে একটি বিশেষ সম্মান রয়েছে। তবে এ সম্মান কোনো একতরফা অধিকার নয়—এটি দায়িত্ব ও Amanah হিসেবেও বিবেচিত।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 47 তাফসীর