Transliteration: (Fawailul lillazeena yaktuboonal kitaaba bi aidihim summa yaqooloona haazaa min 'indil laahi liyashtaroo bihee samanan qaleelan fawailul lahum mimmaa katabat aydeehim wa wailul lahum mimmaa yaksiboon)
সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্য যারা নিজেদের হাত দিয়ে কিতাব লিখে নেয় এবং বলে, “এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে” [140], যাতে এর মাধ্যমে তারা কিছু পার্থিব লাভ [141] করতে পারে। তাদের জন্য ধ্বংস যা তারা লিখেছে এবং ধ্বংস যা তারা উপার্জন করেছে [142]।
সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্য যারা নিজেদের হাত দিয়ে কিতাব লিখে নেয় এবং বলে, “এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে” [140], যাতে এর মাধ্যমে তারা কিছু পার্থিব লাভ [141] করতে পারে। তাদের জন্য ধ্বংস যা তারা লিখেছে এবং ধ্বংস যা তারা উপার্জন করেছে [142]।
এই আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে— কিছু লোক নিজেরা আল্লাহর কিতাব বিকৃত করে নিজেদের লেখা জিনিসকে আল্লাহর বাণী বলে চালিয়ে দেয়, যাতে নিজেদের লোভ ও স্বার্থ পূরণ করতে পারে। তাওরাত সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল এবং তা শুধুমাত্র পুরোহিত বা রাব্বিদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল।
এই সুযোগে তারা ধনীদের পক্ষ নিত এবং গুরুতর অপরাধের শাস্তি লঘু করে দিত, যেমন: ব্যভিচারের জন্য পাথর নিক্ষেপের বদলে মুখে কালো দাগ দেওয়ার নিয়ম চালু করে।
আল্লাহর করুণা যে, পবিত্র কুরআনকে চিরকাল অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে, এবং তা সবার জন্য সহজলভ্য ও সংরক্ষিত।
এই আয়াতে ধর্মের আয়াত বিক্রি করার কঠোর নিন্দা করা হয়েছে। অর্থাৎ কেউ যদি আল্লাহর বাণী বিকৃত করে বা বদলে দেয় অর্থের জন্য, সেটা মারাত্মক পাপ।
তবে, কুরআন ছাপিয়ে বিক্রি করা, ইমামতি, তাফসির শিক্ষা বা তাবিজ লেখার পারিশ্রমিক নেওয়া এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে না।
এইগুলো ধর্মীয় সেবা প্রদান হিসেবে গণ্য হয় এবং খুলাফায়ে রাশিদীন-এর যুগেও এই পারিশ্রমিক গ্রহণ বৈধ ছিল।
এই আয়াতের মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হুকুম স্পষ্ট হয়েছে:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 79 তাফসীর