Transliteration: (Wa laqad aatainaa Moosal Kitaaba wa qaffainaa mim ba'dihee bir Rusuli wa aatainaa 'Eesab-na-Maryamal baiyinaati wa ayyadnaahu bi Roohil Qudus; afakullamaa jaaa'akum Rasoolum bimaa laa tahwaaa anfusukumus takbartum fafareeqan kazzabtum wa fareeqan taqtuloon)
আর নিশ্চয়ই আমরা মূসার প্রতি কিতাব দান করেছিলাম [161], এরপর একের পর এক রাসূল প্রেরণ করেছিলাম। আর আমরা মরিয়ম–তনয় ঈসাকে সুস্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছিলাম এবং পবিত্র আত্মা (রূহুল কুদুস) দ্বারা তাকে শক্তি দিয়েছিলাম [162]। তবে কি এমন হয়নি, যখনই কোনো রাসূল এমন কিছু নিয়ে তোমাদের নিকট এসেছে যা তোমাদের প্রবৃত্তি পছন্দ করেনি, তখনই তোমরা অহংকারে ফেটে পড়েছিলে? [163] একদলকে মিথ্যাবাদী বলেছিলে, আর একদলকে হত্যা করেছিলে [164]।
হযরত মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর পর চার হাজার নবী প্রেরিত হন যারা তাওরাতের বিধান প্রচার ও সংরক্ষণ করতেন।
কিন্তু রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর আগমনের পর, যেহেতু আর কোনো নবী আসবে না, তাই কুরআন ও দ্বীনের হেফাজতের দায়িত্ব উম্মতের আলেমদের ওপর ন্যস্ত হয়েছে।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"আমার উম্মতের আলেমগণ বনি ইসরাঈলের নবীদের মত।"
এই হাদীসের মাধ্যমে বোঝা যায়, উলামাগণ হলেন দ্বীনের রক্ষক ও হেদায়েতের ধারক, যারা নবুওয়তের উত্তরাধিকার বহন করছেন।
রূহুল কুদুস বলতে বোঝানো হয়েছে হযরত জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম)–কে, যিনি পবিত্র আত্মা এবং ওহির বাহক।
কোনো নবী যুদ্ধক্ষেত্রে কাফেরদের দ্বারা শহীদ হননি।
কারণ, আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা রয়েছে:
“আমরা অবশ্যই মুমিনদের সাহায্য করি” (সূরা আর-রূম: ৪৭)
“আমি এবং আমার রাসূলগণ অবশ্যই বিজয়ী হব” (সূরা আস-সাফফাত: ১৭১ / আল-মুজাদিলা: ২১)
এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 87 তাফসীর