Transliteration: (Fataqabba lahaa Rabbuhaa biqaboolin hasaninw wa ambatahaa nabaatan hasananw wa kaffalahaa Zakariyyaa kullamaa dakhala 'alaihaa Zakariyyal Mihraaba wajada 'indahaa rizqan qaala yaa Maryamu annaa laki haazaa qaalat huwa min 'indil laahi innal laaha yarzuqu mai yashaaa'u bighairi hisaab)
অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে সানন্দে গ্রহণ করলেন এবং তাকে উত্তমভাবে লালন-পালন করলেন [79] এবং জাকারিয়াকে [80] তার অভিভাবক করলেন। যখনই জাকারিয়া তার নিকট উপাসনালয়ে প্রবেশ করতেন, তখন তার কাছে রিযিক পাওয়া যেত। তিনি বলতেন, হে মরিয়ম! এগুলো তোমার কাছে কোথা থেকে আসে? সে বলত, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, অসীম রিযিক দান করেন [81]।
সাইয়্যিদা মরিয়ম (আঃ)-কে বায়তুল মুকাদ্দাসে খিদমতের জন্য গ্রহণ করা হয়েছিল, যদিও সাধারণত কেবল ছেলে সন্তানেরাই সেখানে নিয়োজিত হত। এটি ছিল আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ।
সাইয়্যিদা মরিয়ম (আঃ)-এর শারীরিক ও আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি ছিল অলৌকিক—একদিনের বৃদ্ধি ছিল অন্য শিশুদের এক বছরের সমান। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ প্রস্তুতি।
আহবারগণ, অর্থাৎ বায়তুল মুকাদ্দাসের খাদেমগণ, ছিল ২৭ জন, যারা হযরত হারুন (আঃ)-এর বংশধর। তাঁদের প্রধান ছিলেন হযরত জাকারিয়া (আঃ)—তিনি ছিলেন মরিয়ম (আঃ)-এর খালু, এবং তাঁকেই অভিভাবক হিসেবে মনোনীত করা হয়, যদিও সবাই সেই মর্যাদা পেতে চেয়েছিল। তিনি ভালোবাসা ও দায়িত্বশীলতায় তা পালন করেন।
এই ঘটনাটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিক্ষা পাওয়া যায়:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 37 তাফসীর