Transliteration: (Wa yukallimun naasa filmahdi wa kahlanw wa minassaaliheen)
তিনি মানুষের সাথে কথা বলবেন শৈশবে এবং পরিণত বয়সে [100], এবং তিনি ধার্মিকদের অন্তর্ভুক্ত হবেন [101]।
হযরত ঈসা (আঃ) শৈশবেই কথা বলেছিলেন, যখন তিনি দোলনায় ছিলেন—এটি ছিল তাঁর মাতার সম্মান রক্ষার অলৌকিক নিদর্শন।
তিনি কিয়ামতের পূর্বে পৃথিবীতে পুনরায় আগমন করবেন এবং প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার মানুষকে উপদেশ দিবেন, যা তাঁর উর্ধ্বগমন ও আগমন—উভয়কেই অলৌকিকভাবে প্রমাণ করে।
এই উভয় কথাবার্তা তাঁর নবুওয়তের প্রমাণ এবং আল্লাহর সহায়তার নিদর্শন।
কুরআন হযরত ঈসা (আঃ)-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধরেছে:
কিয়ামতের দিন, হযরত ঈসা (আঃ)-এর মাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ- এর মর্যাদা সৃষ্টি জগতে প্রকাশ পাবে।
তাই নবীদের প্রশংসা করা আল্লাহর নিজস্ব কাজ, আর আল্লাহর মনোনীত বান্দাদের সম্মান করা এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।
আল্লাহ আমাদের সেই হিদায়াত দান করুন, যাতে আমরা তাঁর মনোনীত বান্দাদের যথাযথ সম্মান করতে পারি।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 46 তাফসীর