Transliteration: (Am taqooloona inna Ibraaheema wa Ismaa'eela wa Ishaaqa wa Ya'qooba wal asbaata kaanoo Hoodan aw Nasaaraa; qul 'a-antum a'lamu amil laah; wa man azlamu mimman katama shahaadatan 'indahoo minallaah; wa mallaahu bighaafilin 'ammaa ta'maloon)
তোমরা কি বলো যে, ইবরাহিম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাদের বংশধরেরা ছিলেন ইয়াহূদী বা খ্রিষ্টান? বলুন (হে মুহাম্মদ!): ‘তোমরাই কি বেশি জ্ঞানী, না আল্লাহ?’ আর কে হতে পারে তার চেয়ে বড় জালিম, যে এমন সাক্ষ্য গোপন করে যা তার কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আছে? নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে গাফিল নন।
ইয়াহূদীরা দাবি করত যে হযরত ইবরাহিম (আঃ) ছিলেন ইহুদি, আর খ্রিষ্টানরা বলত তিনি ছিলেন খ্রিষ্টান।
📌 এই আয়াত স্পষ্টভাবে এই দাবিগুলো খণ্ডন করেছে, কারণ:
এই আয়াত থেকে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি শিখি:
📌 যারা নবীদের সম্মান করে ও রক্ষা করে, তারা সত্য ও হিদায়াতের পথে থাকে, আর যারা তাঁদের ছোট করে, তারা শয়তানের প্ররোচণায় চলে।
আয়াতের শেষাংশে গুরুতর একটি অপরাধের কথা বলা হয়েছে—আল্লাহর পক্ষ থেকে পাওয়া সাক্ষ্য গোপন করা।
বিশেষতঃ:
📌 গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা:
🔊 এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়—সত্যকে সাহসিকতার সাথে প্রচার করা ঈমানদারের দায়িত্ব।
যেমন: মুয়াজ্জিন যখন বলে – ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল’,
— এটা কোনো আপত্তিকর কথা নয়, বরং আল্লাহর আদেশ মোতাবেক প্রকাশ্য সাক্ষ্য।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 140 তাফসীর