কুরআন - 2:168 সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

168
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ كُلُواْ مِمَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ حَلَٰلٗا طَيِّبٗا وَلَا تَتَّبِعُواْ خُطُوَٰتِ ٱلشَّيۡطَٰنِۚ إِنَّهُۥ لَكُمۡ عَدُوّٞ مُّبِينٌ

Transliteration: (Yaaa ayyuhan naasu kuloo mimmaa fil ardi halaalan taiyibanw wa laa tattabi'oo khutu waatish Shaitaan; innahoo lakum 'aduwwum mubeen)

অনুবাদ -

এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে, তা থেকে আহার করো [357], যা হালাল ও পবিত্র [358], এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই, সে তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট শত্রু।

সূরা আল-বাকারা আয়াত 168 তাফসীর




📖 সূরা আল-বাকারা - আয়াত ১৬৮ এর ব্যাখ্যা

 

✅ [357] খাদ্যের হালালত্ব

এই আয়াত অবতীর্ণ হয়েছিল মূর্তিপূজকদের সম্পর্কে, যারা কিছু প্রাণীকে হারাম মনে করত — যেমন: সাঈবাহ উটনী বা ছাগী, যেগুলো তারা মূর্তির নামে উৎসর্গ করত। আল্লাহ তাদের আদেশ করছেন, তারা যেন হালাল ও পবিত্র জিনিস আহার করে এবং ইসলাম গ্রহণ করে, সেইসব প্রাণীকে হারাম মনে না করে।

এখান থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝা যায়:

  • আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী খাওয়া: ইচ্ছাকৃত না খেয়ে মরে যাওয়া গুনাহ। হাঙ্গার স্ট্রাইক বা মৃত্যু পর্যন্ত উপবাস করা হারাম।
  • হালাল উপার্জিত খাদ্য গ্রহণ: শুধুমাত্র হালাল উপার্জন করা খাবার গ্রহণ করা উচিত। অবৈধভাবে অর্জিত জিনিস খাওয়া হারাম।
  • সত্যিকার পরহেজগারি: পরহেজগারি মানে হালাল জিনিসকে নিজের জন্য হারাম করে নেওয়া নয়। বরং, হারাম ও নিষিদ্ধ জিনিস থেকে দূরে থাকা সত্যিকার ওলিদের গুণ।
  • আল্লাহর নামে জবাই করা পশু: যদি কোন পশু আল্লাহর নামে জবাই করা হয়, তবে সেটা হালাল। এমনকি সেটি কোনো ওলির নামে প্রতিপালিত হলেও।
  • ইসলামে দীক্ষা ও শরিয়তের বিধান: যারা ইসলাম গ্রহণ করে, তারা এখন শরিয়তের বিধানে আবদ্ধ হবে। ইসলাম গ্রহণের আগে তাদের ওপর শরিয়তের বিধান প্রযোজ্য নয়।

✅ [358] হালাল কী?

যা কিছু আল্লাহ বা তাঁর রাসূল ﷺ হারাম ঘোষণা করেননি, তা হালাল।

  • মৌলিক বিষয়গুলোতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, যতক্ষণ না সেগুলোকে আল্লাহ ভালো ও হালাল হিসেবে গণ্য করেছেন।
  • অনুমোদন: আল্লাহ সকল মৌলিক প্রয়োজন ও ভালো জিনিসকে অনুমতি দিয়েছেন — অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ছাড়াই।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now