Transliteration: (Wa izaa sa alaka 'ibaadee 'annnee fa innee qareebun ujeebu da'wataddaa'i izaa da'aani falyastajeeboo lee wal yu'minoo bee la'allahum yarshudoon)
আর (হে প্রিয় নবী!) যখন আমার বান্দারা তোমার কাছে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে [416], তখন (তাদের বলে দাও) আমি তো অতি নিকটে আছি। আমি উত্তর দিই [417] আহ্বানকারী যখন সে আমাকে ডাকে। অতএব, তারা যেন আমার নির্দেশ মানে [418] এবং আমার উপর ঈমান আনে, যাতে তারা সঠিক পথে চলে।
আল্লাহ কতটুকু নিকটে?: সাহাবীরা রাসূল ﷺ কে জিজ্ঞাসা করলেন, আল্লাহ কি আমাদের এত দূরে যে চিৎকার করে ডাকতে হবে, নাকি এত কাছে যে ধীরে বললেই চলে? এই আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন — তিনি অতি নিকটে, ডাকার জন্য উচ্চস্বরে চিৎকারের দরকার নেই।
রহমতের ঘোষণা: আল্লাহ তাঁর নৈকট্য ও দয়ালুতার ঘোষণা দিলেন। যারা তাঁকে ডাকে, তিনি তাদের কাছেই থাকেন। অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে — আল্লাহর রহমত নেককারদের জন্য খুবই নিকটে (সূরা আ’রাফ, ৭:৫৬)।
মাফ চাওয়া ও সুসম্পর্ক: যারা আল্লাহর কাছে সাহায্য চায়, তাদের উচিত নবী ﷺ এর মাধ্যমে মাফ চাওয়া এবং তাঁর অনুসরণ করা। কারণ, নবী করীম ﷺ এর সুপারিশ (শাফা’আত) ও দোয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দোয়ার উত্তরদাতা: আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি আহ্বানকারীর দোয়া কবুল করেন। তবে সব দোয়ার উত্তর তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হয় না।
স্বার্থক ও নিরর্থক দোয়া: কোনো দোয়া যদি অবাঞ্চিত, ক্ষতিকর, বা অনুপযুক্ত হয়, তবে আল্লাহ তা কবুল করেন না — তাঁর জ্ঞানের উপরই নির্ভর করে কোনটা উত্তম।
দোয়া কবুলের শর্ত: শুধু ডাকা যথেষ্ট নয় — আল্লাহর আদেশ মানতে হবে এবং ঈমান আনতে হবে। তাঁর প্রতি আনুগত্য ও বিশ্বাস থাকলেই দোয়া কবুলের আশা করা যায়।
নবীর আনুগত্য মানেই আল্লাহর আনুগত্য: এই আয়াতে ইঙ্গিত আছে যে, নবী করীম ﷺ এর অনুসরণ করাও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের অন্তর্ভুক্ত। নবীর অনুসরণ না করলে পূর্ণ আনুগত্য সম্ভব নয়।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 186 তাফসীর