Transliteration: (Yaaa aiyuhan naasu'budoo Rabbakumul lazee khalaqakum wallazeena min qablikum la'allakum tattaqoon)
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রভুর ইবাদত করো [39], যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন [40], যেন তোমরা পরহেযগার হতে পারো [41]।
হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রভুর ইবাদত করো [39], যিনি তোমাদের এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদের সৃষ্টি করেছেন [40], যেন তোমরা পরহেযগার হতে পারো [41]।
এই আহ্বান সকল মানবজাতির প্রতি, কিন্তু এর ভিতরে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত: ইবাদতের পূর্বে ঈমান আবশ্যক। যারা আল্লাহকে স্বীকারই করে না, তাদের কাছে ইবাদতের কোনো দাবি করা হয় না। সুতরাং, এখানে আসল বার্তা এই: হে কাফেরগণ! প্রথমে আল্লাহর উপর ঈমান আনো—তাহলেই তোমাদের ইবাদত অর্থবহ হবে।
“তোমাদের পূর্ববর্তীদের” উল্লেখ করে কুরআন আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রতি সম্মান দেখানোর গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখানো মানেই নিজেদের প্রতি সম্মান দেখানো, কারণ আমরা তাদের ধারাবাহিকতা। এর চেয়েও বড় কথা, এই আয়াতে সূক্ষ্মভাবে স্মরণ করানো হয়েছে, যে আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর উম্মত, যা এক বিশাল সম্মান ও নিয়ামত। এই পরিচয়ই আমাদের জন্য গর্বের বিষয় এবং আল্লাহর প্রতি অবিরাম কৃতজ্ঞতার উৎস।
“যেন তোমরা পরহেযগার হতে পারো” বাক্যটি বোঝায় যে ইবাদতের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি অর্জন। তবে এটি নিশ্চিত নয়—এটি মানুষের এক আশা মাত্র। তাই কেবল আমল করলেই কবুল হবে—এই ধারণা ভুল। প্রকৃত ঈমান হলো আশা ও ভয় একসাথে রাখা। সত্যিকারের তাকওয়া শুধু কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আল্লাহর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সচেতনতা গড়ে তোলা। আর এই তাকওয়া অর্জনে ভালো মানুষের সঙ্গ অনেক সময় ইবাদতের চেয়েও বেশি প্রভাব ফেলে।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 21 তাফসীর