Transliteration: (Wa yas'aloonaka 'anil maheedi qul huwa azan fa'tazilun nisaaa'a fil maheedi wa laa taqraboo hunna hattaa yathurna fa-izaa tatah-harrna faatoohunna min haisu amarakumul laah; innallaaha yuhibbut Tawwaabeena wa yuhibbul mutatahhireen)
তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে হায়েয (ঋতুস্রাব) সম্পর্কে। বলুন, এটা অপবিত্রতা—অতএব হায়েয অবস্থায় নারীদের থেকে দূরে থাকো [528] এবং তারা পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাদের কাছে যেও না [529]। আর যখন তারা পবিত্র হয়ে যাবে, তখন তাদের কাছে যাও যেভাবে আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন [530]। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা তওবা করে এবং যারা নিজেকে পবিত্র রাখে।a
হায়েযকে অপবিত্র অবস্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং এই কারণে ঋতুকালে যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
🔹 এই আয়াতে যৌন সম্পর্কসহ যেকোনো ধরণের ঘনিষ্ঠতা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
🔹 কোনো শর্তযুক্ত শব্দ ব্যবহার না করে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যার ফলে পেছন দিক থেকেও সম্পর্ক স্থাপন (যা হারাম) এর সুযোগ নেই।
🔹 যেমন হায়েয একটি অপবিত্র অবস্থা, তেমনই পেছন দিক থেকে যৌনাচারও অপবিত্র ও নিষিদ্ধ।
যখন রক্তস্রাব বন্ধ হবে, যদি তা দশ দিনের আগেই হয়, তবে গোসল করার পরই যৌন সম্পর্ক বৈধ হবে।
🔹 আর যদি দশম দিনেই বন্ধ হয়, তাহলে রক্ত বন্ধ হওয়ার সাথেসাথেই সম্পর্ক স্থাপন বৈধ হয়ে যাবে।
🔹 এখানে তাশদীদসহ ও তাশদীদবিহীন শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে রিচ্যুয়াল পবিত্রতা (গোসল) অপরিহার্য।
“আল্লাহ যেভাবে আদেশ দিয়েছেন” — এই বাক্য দ্বারা যৌন সম্পর্কের পদ্ধতির ওপর সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔹 এটি স্পষ্ট করে দেয় যে পেছন দিক থেকে সহবাস নিষিদ্ধ, কারণ তা আল্লাহর নির্ধারিত পথ নয়।
🔹 এই আয়াত স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আন্তরিক ও শারীরিক বিশুদ্ধতার জন্য আল্লাহর বিধান মেনে চলাই প্রকৃত পবিত্রতা।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 222 তাফসীর