Transliteration: (Wa bashshiril lazeena aamanoo wa 'amilus saalihaati anna lahum jannaatin tajree min tahtihal anhaaru kullamaa ruziqoo minhaa min samaratir rizqan qaaloo haazal lazee ruziqnaa min qablu wa utoo bihee mutashaabihaa, wa lahum feehaaa azwaajum mutahhara tunw wa hum feehaa khaalidoon)
আর তুমি সুসংবাদ দাও তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে [47]—তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। যখনই তাদেরকে সেখান থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে: এটা তো সেই যা আমাদের পূর্বেও দেওয়া হয়েছিল [48]—তাদেরকে যা দেওয়া হবে তা দেখতে একই রকম হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য থাকবে পবিত্র সঙ্গিনীরা [49], আর তারা তাতে চিরকাল থাকবে।
আর তুমি সুসংবাদ দাও তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে [47]—তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। যখনই তাদেরকে সেখান থেকে কোনো ফল খেতে দেওয়া হবে, তারা বলবে: এটা তো সেই যা আমাদের পূর্বেও দেওয়া হয়েছিল [48]—তাদেরকে যা দেওয়া হবে তা দেখতে একই রকম হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য থাকবে পবিত্র সঙ্গিনীরা [49], আর তারা তাতে চিরকাল থাকবে।
এই আয়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সত্য উন্মোচিত হয়েছে: ঈমান ছাড়া কোনো আমল কবুল হয় না। ঈমান হলো মূলভিত্তি, আর সৎকর্ম তার শাখা-প্রশাখা। যখন কেউ ঈমান গ্রহণ করে, তখন তার উপর সৎকর্ম পালন করা আবশ্যিক। তবে এই কাজগুলো ব্যক্তির সামর্থ্য অনুযায়ীই চাওয়া হয়। কেউ যদি ঈমান গ্রহণ করার পরপরই মারা যায় অথবা কোনো মুসলিম শিশু মারা যায়, তাহলে তারা কোনো আমল ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে—শুধু ঈমানের বরকতে। জান্নাতে প্রবেশ হয় ঈমানের দ্বারা, কিন্তু জান্নাতের নিয়ামত ও মর্যাদা নির্ধারিত হয় আমলের ভিত্তিতে। আর আল্লাহর সান্নিধ্য—সর্বোচ্চ সম্মান—এটি আমলের বিনিময় নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। সারসংক্ষেপে: ঈমান দেয় প্রবেশাধিকার, আমল নির্ধারণ করে পুরস্কার, আর আল্লাহর কৃপা দেয় নৈকট্য।
জান্নাতের ফল দেখতে দুনিয়ার ফলের মতো হবে, তাই তারা বলবে: “এটা তো আগেও খেয়েছিলাম”। কিন্তু স্বাদ ও আনন্দে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন ও অতুলনীয় হবে। এটি শিক্ষা দেয় যে, আল্লাহর নিয়ামতগুলো বাহ্যিকভাবে পরিচিত হলেও, তা আভ্যন্তরীণভাবে বহু গুণ শ্রেষ্ঠতর।
“পবিত্র স্ত্রীগণ” বলতে বোঝানো হয়েছে: দুনিয়ার ঈমানদার নারীগণ, যারা জান্নাতে তাদের সর্বশেষ ঈমানদার স্বামীর সাথে মিলিত হবেন। তাছাড়া, এর মধ্যে আছে জান্নাতের বিশেষ সৃষ্টি—হুররা, যাদের জান্নাতবাসীদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। হুররা মানুষ না হলেও তারা মানুষের সঙ্গিনী হবেন—এটি বোঝায় যে জান্নাতে বিভিন্ন প্রকারের জোড়ার মিলন সম্ভব, যা দুনিয়ার সীমাবদ্ধতার বাইরে।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 25 তাফসীর