Transliteration: (Wa iz qaala rabbuka lil malaaa'ikati innee jaa'ilun fil ardi khaleefatan qaalooo ataj'alu feehaa mai yufsidu feehaa wa yasfikud dimaaa'a wa nahnu nusabbihu bihamdika wa nuqaddisu laka qaala inneee a'lamu maa laa ta'lamoon)
যখন আপনার প্রভু ফেরেশতাদেরকে বললেন: আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। তারা বলল: আপনি কি সেখানে এমন কাউকে রাখবেন, যে তাতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত করবে [58], অথচ আমরা আপনার প্রশংসা করছি এবং আপনাকে পবিত্র ঘোষণা করছি [59]? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমি জানি, যা তোমরা জান না।
যখন আপনার প্রভু ফেরেশতাদেরকে বললেন: আমি পৃথিবীতে একজন প্রতিনিধি সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। তারা বলল: আপনি কি সেখানে এমন কাউকে রাখবেন, যে তাতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত করবে [58], অথচ আমরা আপনার প্রশংসা করছি এবং আপনাকে পবিত্র ঘোষণা করছি [59]? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই আমি জানি, যা তোমরা জান না।
এই আয়াত প্রকাশ করে যে ফেরেশতাগণ কিছু অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞান রাখতেন, কেননা তারা আগেই বলেছিলেন যে মানুষ দুনিয়াতে ফাসাদ ও রক্তপাত করবে। এটি সম্ভবত পূর্ববর্তী সৃষ্টির, যেমন জিনজাতি বা অন্য কোনো জাতির কার্যকলাপ দেখে তারা ধারণা করেছিলেন। এই সংলাপ দ্বারা বোঝা যায়, পরামর্শ করা (মাশওয়ারা) একটি ইলাহী রীতি, যেখানে মতামত শোনা হয়। ফেরেশতাগণ অভিযোগ করেননি, বরং নম্রভাবে তাদের উপলব্ধি তুলে ধরেছিলেন, যা আল্লাহ মেনে নিয়েছেন। এটি থেকে বোঝা যায় যে, কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে আলোচনা করা বৈধ, যদি তা অপমান বা পক্ষপাতমূলক না হয়।
ফেরেশতারা যখন বললেন, আমরা আপনাকে মহিমান্বিত করি ও পবিত্রতা ঘোষণা করি, তখন তারা তাদের ইবাদত ও অবস্থানের মর্যাদা তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। এটি প্রমাণ করে যে, নিজের গুণাবলী তুলে ধরা কিংবা নিজের পক্ষ সপক্ষে কথা বলা বৈধ, যদি তা বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হযরত ইউসুফ (আ.) মিসরের বাদশাহকে বলেছিলেন: “আমাকে দেশের কোষাগারের দায়িত্ব দিন, আমি বিশ্বস্ত ও জ্ঞানী” (সূরা ইউসুফ ১২:৫৫)। এই আয়াত স্পষ্ট করে যে, উপযুক্ত যোগ্যতা থাকলে দায়িত্ব চাওয়া অহংকার নয়, বরং তা দায়িত্বশীলতার নিদর্শন।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 30 তাফসীর