কুরআন - 2:32 সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

32
قَالُواْ سُبۡحَٰنَكَ لَا عِلۡمَ لَنَآ إِلَّا مَا عَلَّمۡتَنَآۖ إِنَّكَ أَنتَ ٱلۡعَلِيمُ ٱلۡحَكِيمُ

Transliteration: (Qaaloo subhaanaka laa 'ilma lanaaa illaa maa 'allamtanaaa innaka antal'aleemul hakeem)

অনুবাদ -

তারা বলল: আপনি পবিত্র, আমরা কোনো জ্ঞান রাখি না, আপনি আমাদের যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া [63]। নিশ্চয়ই আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময় [64]।

সূরা আল-বাকারা আয়াত 32 তাফসীর




ChatGPT said:

📖 সূরা আল-বাকারা - আয়াত ৩২ এর ব্যাখ্যা

তারা বলল: আপনি পবিত্র, আমরা কোনো জ্ঞান রাখি না, আপনি আমাদের যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া [63]। নিশ্চয়ই আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময় [64]।

✅ [63] ফেরেশতাদের নম্রতা বনাম ইবলিসের নীরবতা

এই আয়াত ফেরেশতাদের বিনয় ও আত্মসমর্পণের প্রতিচ্ছবি। তারা স্পষ্টভাবে স্বীকার করল যে, তাদের সমস্ত জ্ঞান শুধুমাত্র আল্লাহর দেওয়া, তারা তার বাইরে কিছু দাবি করে না। কিন্তু এই ঘোষণা থেকে ইবলিস বাদ পড়ে। সে চুপ ছিল, কিন্তু তা বিনয়ের কারণে নয়, বরং হিংসা ও অজ্ঞতার কারণে। ইবলিস নামগুলো জানত না, এবং ফেরেশতাদের মতো না তো জ্ঞান ছিল, না বিনয়। তবুও, হযরত আদম (আ.)-কে সিজদা করার আদেশে ইবলিসও অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি প্রমাণ করে যে হযরত আদম (আ.)-এর জ্ঞান ইবলিস থেকেও শ্রেষ্ঠ ছিল। অতএব, যদি কেউ দাবি করে যে ইবলিসের জ্ঞান নবী করীম ﷺ এর চেয়েও বেশি ছিল, তা স্পষ্ট কুফরি। কেননা, যখন ইবলিস আদম (আ.)-এর চেয়ে নিচু, তখন নবী করীম ﷺ তো সমগ্র সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ।

✅ [64] ফেরেশতাদের ব্যাখ্যা ও সম্মানজনক উদ্দেশ্য

ফেরেশতাদের বক্তব্য—“আপনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়”—প্রমাণ করে যে তাদের পূর্ববর্তী প্রশ্ন আল্লাহর আদেশে আপত্তি বা চ্যালেঞ্জ ছিল না। বরং, তা ছিল একটি নম্র অনুসন্ধান, যার উদ্দেশ্য ছিল আল্লাহর হিকমত জানা, না যে তারা তা অস্বীকার করেছিল। এটি প্রমাণ করে, বিনয়ের সাথে ও শ্রদ্ধার মনোভাবে প্রশ্ন করা বৈধ, যদি তা হয় বোঝার আকাঙ্ক্ষা থেকে, অহংকার বা বিদ্রোহ থেকে নয়।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now