কুরআন - 2:33 সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

33
قَالَ يَـٰٓـَٔادَمُ أَنۢبِئۡهُم بِأَسۡمَآئِهِمۡۖ فَلَمَّآ أَنۢبَأَهُم بِأَسۡمَآئِهِمۡ قَالَ أَلَمۡ أَقُل لَّكُمۡ إِنِّيٓ أَعۡلَمُ غَيۡبَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ وَأَعۡلَمُ مَا تُبۡدُونَ وَمَا كُنتُمۡ تَكۡتُمُونَ

Transliteration: (Qaala yaaa Aadamu ambi' hum biasmaaa'ihim falammaa amba ahum bi asmaaa'ihim qaala alam aqul lakum inneee a'lamu ghaibas samaawaati wal ardi wa a'lamu maa tubdoona wa maa kuntum taktumoon)

অনুবাদ -

তিনি বললেন: হে আদম! আপনি তাদেরকে এসব বস্তুর নাম বলে দিন [65]। এরপর যখন আদম তাদেরকে সেসব বস্তুর নাম জানিয়ে দিলেন, তখন তিনি বললেন: আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে আমি জানি আসমান ও জমিনের সকল গোপন রহস্য, এবং আমি জানি যা তোমরা প্রকাশ করো এবং যা তোমরা গোপন রাখো?

সূরা আল-বাকারা আয়াত 33 তাফসীর




📖 সূরা আল-বাকারা - আয়াত ৩৩ এর ব্যাখ্যা

তিনি বললেন: হে আদম! আপনি তাদেরকে এসব বস্তুর নাম বলে দিন [65]। এরপর যখন আদম তাদেরকে সেসব বস্তুর নাম জানিয়ে দিলেন, তখন তিনি বললেন: আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে আমি জানি আসমান ও জমিনের সকল গোপন রহস্য, এবং আমি জানি যা তোমরা প্রকাশ করো এবং যা তোমরা গোপন রাখো?

✅ [65] আদমের জ্ঞান স্থানান্তর নয়, শুধু প্রকাশ

এই আয়াত প্রমাণ করে যে হযরত আদম (আ.)-কে শুধু নামগুলো জানাতে বলা হয়েছিল, শেখাতে নয়। কারণ শেখানো মানে শিখানোর প্রক্রিয়ায় ছাত্রের বুঝ অর্জন, আর জানানো মানে কেবল তথ্য দেওয়া। আদম (আ.) যখন ফেরেশতাদের নামগুলো বললেন, তখন তা ছিল আল্লাহপ্রদত্ত জ্ঞানের একটি প্রকাশ, শেখানো নয়। এজন্য আল্লাহ “শিখালেন” শব্দটি ব্যবহার করেছেন আদম (আ.)-এর জন্য, কিন্তু “জানিয়ে দিলেন” বলা হয়েছে ফেরেশতাদের প্রতি তাঁর কার্যকলাপের বর্ণনায়। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, আদম (আ.)-এর জ্ঞানের স্তর ফেরেশতাদের চেয়ে উচ্চতর ছিল, এবং ফেরেশতাগণ নাম শুনেও তাঁর মত উপলব্ধি অর্জন করতে পারেননি। এরপর আল্লাহ তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, তিনি আসমান ও জমিনের সকল অদৃশ্য বিষয় জানেন, এমনকি তারা যা প্রকাশ করে ও যা গোপন রাখে তাও তাঁর জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now