Transliteration: (Fatalaqqaaa Aadamu mir Rabbihee Kalimaatin fataaba 'alaihi; innahoo Huwat Tawwaabur Raheem)
অতঃপর আদম তাঁর প্রভুর নিকট থেকে কিছু শব্দ শিখলেন [74], তখন আল্লাহ তাঁর তওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু [75]।
অতঃপর আদম তাঁর প্রভুর নিকট থেকে কিছু শব্দ শিখলেন [74], তখন আল্লাহ তাঁর তওবা কবুল করলেন। নিশ্চয়ই তিনি তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু [75]।
এই আয়াতে বলা ‘কিছু শব্দ’ শুধুমাত্র ওই দোয়া নয় — “হে আমাদের প্রভু! আমরা নিজেদের উপর জুলুম করেছি...” — কারণ এই দোয়াটি তো জান্নাত থেকে অবতরণ করার আগেই আদম (আঃ) পাঠ করেছিলেন, যা কুরআনের অন্যান্য স্থানে বলা হয়েছে। এখানে যে বিশেষ শব্দ শেখানো হয়েছে, তা ছিল তাওবার নির্দিষ্ট বাণী, যা আল্লাহ তাঁকে শিক্ষা দেন। এতে নবী করীম ﷺ-এর ওসীলায় ক্ষমা প্রার্থনার বিষয় ছিল।
এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, নবী করীম ﷺ-এর মর্যাদা ও সম্মান তাঁর দুনিয়াতে আগমনের পূর্বেও প্রতিষ্ঠিত ছিল। আদম (আঃ) নবী করীম ﷺ-এর মাধ্যমে ওসীলা গ্রহণ করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে, আল্লাহ তাওবা কবুল করেন।
‘তাওয়্বাব’ শব্দটি এসেছে ‘রুজু’ অর্থাৎ ফিরে আসা অর্থ থেকে। মানুষের ক্ষেত্রে এটি বোঝায় গোনাহ থেকে ফিরে আসা — অর্থাৎ অসহযা থেকে আনুগত্যের দিকে প্রত্যাবর্তন। আর আল্লাহর ক্ষেত্রে এর অর্থ, রোষ থেকে দয়ার দিকে ফিরে আসা, অর্থাৎ করুণার প্রকাশ।
তাওবা কবুল হওয়ার জন্য একজন মু’মিনের মধ্যে তিনটি মূল উপাদান থাকা জরুরি:
এই শর্তগুলো পূরণ হলে, যেমন আল্লাহ আদম (আঃ)-এর তাওবা কবুল করেছিলেন, তেমনি দয়াময় আল্লাহ বান্দার তাওবাও কবুল করেন।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 37 তাফসীর