Transliteration: (Qad kaana lakum Aayatun fee fi'atainil taqataa fi'atun tuqaatilu fee sabeelil laahi wa ukhraa kaafiratuny yarawnahum mislaihim ra' yal 'ayn; wallaahu yu'ayyidu bi nasrihee mai yashaaa'; innaa fee zaalika la 'ibratal li ulil absaar)
নিশ্চয় তোমাদের জন্য একটি নিদর্শন রয়েছে ঐ দুই দলের মধ্যে [22] যারা পরস্পরের সম্মুখীন হয়েছিল (বদরের যুদ্ধে); একটি দল ছিল আল্লাহর রাহে যুদ্ধরত, আর অন্যটি ছিল কাফির [23]। তারা (কাফিররা) তাদের চোখে যা দেখেছে তাই মনে করেছে [24]। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন, তাঁকেই তাঁর সাহায্য দিয়ে সমর্থন করেন। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্য রয়েছে বড় শিক্ষা [25]।
এই আয়াতটি বদরের যুদ্ধকে ইঙ্গিত করে, যা সংঘটিত হয়েছিল ২ হিজরির রমযান মাসের এক শুক্রবারে। ইসলামের প্রারম্ভিক ও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধগুলোর একটি এটি। মুসলমানদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন এবং তাদের সরঞ্জাম ছিল অত্যন্ত সীমিত:
কুরাইশ বাহিনীর নেতা ছিল উতবা ইবনে রাবীআ। তাদের সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৯৫০ জন, যাদের সঙ্গে ছিল:
আল্লাহ এই যুদ্ধে এক অলৌকিক বিষয় ঘটান — কাফিররা নিজেদের চোখে মুসলমানদের সংখ্যা দ্বিগুণ মনে করেছিল। এই দৃষ্টিভ্রম তাদের মনে ভয় ও হতাশা সৃষ্টি করে, যা তাদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয় যে:
বিজয় সংখ্যা বা অস্ত্রের উপর নির্ভর করে না, বরং তাকওয়া, আল্লাহর উপর ভরসা ও তাঁর স্মরণই প্রকৃত শক্তির উৎস।
আল্লাহ অন্যত্র বলেন:
“যখন কোনো বাহিনীর সম্মুখীন হও, তখন ধৈর্য ধর এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ কর...” (সূরা আনফাল, ৮:৪৫)
এটি এক চিরন্তন শিক্ষা: যারা আল্লাহর উপর নির্ভর করে এবং তাঁর রাহে সংগ্রাম করে, তারাই প্রকৃত বিজয় লাভ করে। বদরের এই ঘটনা জ্ঞানীদের জন্য এক বড় শিক্ষা।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 13 তাফসীর