Transliteration: (Allazeena yaqooloona Rabbanaaa innanaaa aamannaa faghfir lanaa zunoobanaa wa qinaa 'azaaban Naar)
তারা বলে, “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তো ঈমান এনেছি [33], সুতরাং আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দাও এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও।”
এই আয়াতটি প্রকৃত মুমিনদের বিনয় ও আন্তরিকতা তুলে ধরে—যারা নিজেদের ঈমান স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা প্রার্থনা করে। এ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট হয়:
একটি মুমিনের জন্য নিজেকে গুনাহগার বলা বৈধ, কারণ এটি আল্লাহর দরবারে বিনয় ও আত্মজ্ঞান প্রকাশ করে। তবে নিজেকে ঈমানহীন বলা অনুচিত, কেননা তা ঈমানের পরিপন্থী।
এই আয়াতের মাধ্যমে শেখানো হয় যে, দোয়া করা উচিত ঈমানকে অসিলা বানিয়ে। যেমন আয়াতে বলা হয়েছে: “আমরা ঈমান এনেছি, সুতরাং ক্ষমা করো…”—এটি প্রমাণ করে যে, ঈমান নিজেই একটি মহৎ অসিলা, যার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ সম্ভব।
হাদীস থেকেও এ শিক্ষা পাওয়া যায় যে, মানুষ নিজের নেক আমল কিংবা ঈমানের উসিলা দিয়ে দোয়া করতে পারে, যেমন: “হে আল্লাহ! আপনি যদি আমার অমুক আমল কবুল করে থাকেন, তাহলে তার বরকতে এই দোয়াটি কবুল করুন।”
অতএব, একজন সত্যিকারের মুমিন কখনো নিজেকে ‘অবিশ্বাসী’ বা ‘ঈমানহীন’ বলবে না; বরং সে নিজের ঈমান ও নেক আমলকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর রহমত ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা কামনা করবে।
এই আয়াতে সুন্দরভাবে বোঝানো হয়েছে যে, ঈমান, বিনয় ও জ্ঞানভিত্তিক দোয়া—এই তিনটি গুণ একজন আন্তরিক মুসলমানের জীবনে কত গুরুত্বপূর্ণ।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 16 তাফসীর