কুরআন - 3:17 সূরা আলে ইমরান অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

17
ٱلصَّـٰبِرِينَ وَٱلصَّـٰدِقِينَ وَٱلۡقَٰنِتِينَ وَٱلۡمُنفِقِينَ وَٱلۡمُسۡتَغۡفِرِينَ بِٱلۡأَسۡحَارِ

Transliteration: (Assaabireena wassaa diqeena walqaaniteena walmunfiqeena walmus taghfireena bil as-har)

অনুবাদ -

তারা ধৈর্যশীল, আনুগত্যশীল, বিনয়ী, আল্লাহর পথে ব্যয়কারী এবং ভোররাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী [34]।

সূরা আলে ইমরান আয়াত 17 তাফসীর




📖 সূরা আলে ইমরান - আয়াত [17] এর ব্যাখ্যা

 

✅ [34] সাহারার সময়ে ইস্তিগফারের শ্রেষ্ঠত্ব

এই আয়াতে নেককার মু’মিনদের গুণাবলি বর্ণনা করা হয়েছে—তারা ধৈর্যশীল, আল্লাহর অনুগত, বিনয়ী স্বভাবের, দানশীল, এবং বিশেষ করে ভোররাতে ইস্তিগফার করেন, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সময়।

এই আয়াত থেকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো শিক্ষা পাওয়া যায়:

  • ভোররাত বা সাহারার সময় ইস্তিগফার করা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। এ সময় সব সৃষ্টি আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে, শুধু কুকুর ব্যতীত। এই সম্মিলিত ইবাদত পরিবেশকে রূহানিয়াতে ভরিয়ে তোলে এবং দোয়া কবুলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
  • সাহারার সময় বলতে সূর্যোদয়ের পূর্ব মুহূর্তকে বোঝানো হয়, বিশেষত ফজরের সুন্নাত ও ফরজ নামাজের পরের সময়।
  • এই সময়ে অন্তত সত্তরবার ইস্তিগফার করা মুস্তাহাব।
  • এর ফায়দাগুলোর মধ্যে রয়েছে: রিজিকে বরকত, ব্যক্তিগত জীবনে স্থিতি ও প্রশান্তি, এবং আধ্যাত্মিক বিশুদ্ধতা।
  • এই সময়ে ইস্তিগফার করা ব্যক্তির খালিস নিয়ত ও ইখলাস প্রকাশ করে—কারণ এমন একজন মানুষ যে ঘুম ভেঙে আল্লাহর দরবারে নিজের গুনাহ স্বীকার করে, সে নিঃসন্দেহে একান্তভক্ত।
  • এছাড়াও, সাহারার সময়ে সমষ্টিগত প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ—একজনের ইস্তিগফার কবুল হলে, আল্লাহর রহমতে বহু মানুষের দোয়া কবুল হয়ে যেতে পারে।

এই আয়াতে ধৈর্য, আনুগত্য, বিনয়, দান ও ইস্তিগফার—এই পাঁচটি গুণকে একত্রে তুলে ধরা হয়েছে, যা একজন মু’মিনের রূহানী উৎকর্ষের নিদর্শন।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now