Transliteration: (Rabbanaaa innaka man tudkhilin Naara faqad akhzai tahoo wa maa lizzaalimeena min ansaar)
হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি যাকে দোজখে প্রবেশ করান, আপনি নিশ্চয়ই তাকে লাঞ্ছিত করেছেন। আর জালিমদের কোন সাহায্যকারী নেই [438]।
এই আয়াত তাদের নম্র দোয়ার ধারাবাহিকতা, যারা সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করে ও আল্লাহকে স্মরণ করে। এবার তারা এক মৌলিক সত্য স্বীকার করছে—যে দোজখে যাবে, সে চরম অপমানিত হবে। কারণ আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হওয়ার চেয়ে বড় লাঞ্ছনা আর কিছুই হতে পারে না।
এখানে “জালিম” বলতে মূলত কাফেরদের বোঝানো হয়েছে—যারা সত্য অস্বীকার করে, শিরক করে, এবং রাসূলদের প্রত্যাখ্যান করে। এইসব মানুষ:
✨ বিপরীতে: ঈমানদার কখনো একা নয়
সত্যিকারের মুমিনের জন্য আল্লাহ হচ্ছেন অভিভাবক (ওলী)।
নবী ﷺ হচ্ছেন তার সুপারিশকারী ও পথপ্রদর্শক।
নেককার মুসলিম, অলিয়া ও ফেরেশতাগণ তার পক্ষে থাকেন।
আল্লাহ বলেন:
“আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনগণই তোমাদের বন্ধু।” (সূরা আল-মায়েদা ৫:৫৫)
আরও বলেন:
“তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর অভিভাবক, এবং জিবরাঈল, নেককার মুমিনগণ ও ফেরেশতাগণ তাঁর সাহায্যকারী।” (সূরা আত-তাহরীম ৬৬:৪)
সুতরাং, আল্লাহর সাহায্য থেকে বঞ্চিত হওয়া হলো শাস্তির নিদর্শন, যা শুধু অবিশ্বাসীদের জন্য; আর আল্লাহর বন্ধুত্ব ও সাহায্য হলো মুমিনদের জন্য মহান সম্মান।
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আলে ইমরান আয়াত 192 তাফসীর