কুরআন - 3:66 সূরা আলে ইমরান অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

66
هَـٰٓأَنتُمۡ هَـٰٓؤُلَآءِ حَٰجَجۡتُمۡ فِيمَا لَكُم بِهِۦ عِلۡمٞ فَلِمَ تُحَآجُّونَ فِيمَا لَيۡسَ لَكُم بِهِۦ عِلۡمٞۚ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ

Transliteration: (Haaa antum haaa'ulaaa'i haajajtum feemaa lakum bihee 'ilmun falima tuhaaajjoonaa feemaa laisa lakum bihee 'ilm; wallaahu ya'lamu wa antum laa ta'lamoon)

অনুবাদ -

দেখো! তোমরাই তো সেই লোক, যারা এমন বিষয়ে বিতর্ক করেছ, যার সম্পর্কে তোমাদের জ্ঞান ছিল [143]। তবে কেন এমন বিষয়ে বিতর্ক করো, যার সম্পর্কে তোমাদের কোনো জ্ঞান নেই? আর আল্লাহ জানেন, কিন্তু তোমরা জানো না।

সূরা আলে ইমরান আয়াত 66 তাফসীর




📖 সূরা আলে ইমরান – আয়াত ৬৬ এর ব্যাখ্যা

 

✅ [143] জ্ঞান থাকার পরও স্পষ্ট সত্য প্রত্যাখ্যান

এই আয়াতটি কিতাবধারীদের সমালোচনা করে, যারা—

  • রাসূল ﷺ-এর আগমন সম্পর্কে সত্য জেনেও,
  • তাঁর চিহ্ন, চরিত্র ও নবুয়তের পরিচয় থাকা সত্ত্বেও,
    একগুঁয়েমির কারণে তাঁকে অস্বীকার করে।
    এটি ছিল ইচ্ছাকৃত অবাধ্যতা, ভুল বোঝাবুঝি নয়।
    সত্য স্পষ্ট হওয়ার পর তর্ক করা — এটি বিদ্রোহের কাজ।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা:
যদি কেউ রাসূল ﷺ-এর ব্যক্তিগত মতের (যা ওহি নয়) সঙ্গে সম্মানজনকভাবে দ্বিমত পোষণ করে, তবে তা কুফরি নয়।
যেমন কুরআনে এসেছে:
“নিশ্চয়ই একদল মুসলমান অসন্তুষ্ট হয়েছিল… তারা তর্ক করছিল…” (সূরা ৮: আয়াত ৫)
তবুও, তারা ঈমানদারই থেকে গেছে।

তাই:

  • রাসূলের ওহিভিত্তিক বাণী অস্বীকার করা = কুফরি
  • অবহেলাবিহীন ভিন্নমত (ব্যক্তিগত বিষয়ে) = গোনাহ নয়, কুফরিও নয়

এই আয়াত আরও স্মরণ করিয়ে দেয়:
আল্লাহর জ্ঞান পূর্ণাঙ্গ, আর মানুষের বিচার সীমিত—
তাই সত্য স্পষ্ট হলে আল্লাহর নির্দেশের কাছে আত্মসমর্পণ করা জরুরি।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now