কুরআন - 3:90 সূরা আলে ইমরান অনুবাদ, লিপ্যন্তরণ এবং তাফসীর (তাফসীর).

90
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَعۡدَ إِيمَٰنِهِمۡ ثُمَّ ٱزۡدَادُواْ كُفۡرٗا لَّن تُقۡبَلَ تَوۡبَتُهُمۡ وَأُوْلَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلضَّآلُّونَ

Transliteration: (Innal lazeena kafaroo ba'da eemaanihim summaz daadoo kufral lan tuqbala tawbatuhum wa ulaaa'ika humud daaalloon)

অনুবাদ -

তবে তারা ব্যতিক্রম, যারা এরপর তাওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে [197]। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু [198]।

সূরা আলে ইমরান আয়াত 90 তাফসীর




সূরা আলে ইমরান – আয়াত ৮৯

 

✅ [197] গ্রহণযোগ্য তাওবার শর্ত

এই আয়াত আমাদের শেখায়: সত্যিকারের তাওবার জন্য দুটি মূল শর্ত রয়েছে—
১. পূর্বের গুনাহের জন্য অনুশোচনা ও লজ্জা অনুভব করতে হবে।
২. ভবিষ্যতে সংশোধনের দৃঢ় সংকল্প থাকতে হবে।

🔹 এই তাওবার বিধান সকল পাপের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, এমনকি মুরতাদ হওয়ার মতো বড় গুনাহ হলেও।
🔸 তবে বিভিন্ন অপরাধের জন্য তাওবার শর্ত ও শাস্তির হুকুম ভিন্ন ভিন্ন।

✅ [198] নাজিলের কারণ ও ব্যাখ্যা

এই আয়াতটি নাজিল হয়েছে হযরত হারিছ ইবনে সুয়ায়দ আনসারী (রাঃ) সম্পর্কে—

  • তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর কাফেরদের সাথে গিয়ে মুরতাদ হন।
  • পরবর্তীতে অনুতপ্ত হয়ে তিনি রাসূল ﷺ-এর নিকট ফিরে আসেন এবং জিজ্ঞেস করেন, “আমার তাওবা কি কবুল হবে?”
  • এরপর এই আয়াত নাজিল হয়।
  • তিনি আবার ইসলাম কবুল করেন এবং তাঁর তাওবা কবুল হয়।

🔹 এতে প্রমাণ হয়: মুরতাদ ব্যক্তি চাইলেও সত্যিকারের তাওবার মাধ্যমে ক্ষমা পেতে পারে।
🔸 তবে, যদি কেউ বারবার ধর্মত্যাগ করে বা রাসূল ﷺ-কে অপমান করে, তবে তাওবার পরেও শরিয়তের বিশেষ বিধান (যেমন মৃত্যুদণ্ড) বহাল থাকতে পারে।

👉 শিক্ষা:
আল্লাহর করুণা অসীম। যত বড় গুনাহই হোক না কেন, সত্যিকারের অনুতাপের সাথে তাওবা করলে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন।

Sign up for Newsletter

×

Download Our Quran App

For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.

Download Now