Transliteration: (Wa in kuntum 'alaa safarinw wa lam tajidoo kaatiban farihaanum maqboodatun fa in amina ba'dukum ba'dan falyu'addil lazi tumina amaa natahoo walyattaqil laaha Rabbah; wa laa taktumush shahaadah; wa mai yaktumhaa fa innahooo aasimun qalbuh; wallaahu bimaa ta'maloona 'Aleem)
আর যদি তোমরা সফরে থাকো এবং কোনো লেখক না পাও, তাহলে বন্ধক (বিলি দেওয়া) হিসেবে কিছু রেখে দাও [763]। আর যদি তোমাদের একজন অন্যজনের ওপর আস্থা রাখে [764], তাহলে যে আমানত গ্রহণ করেছে, সে যেন তার আমানত বিশ্বস্ততার সাথে আদায় করে এবং তার রব আল্লাহকে ভয় করে। আর সাক্ষ্য গোপন করো না। যে তা গোপন করে, তার অন্তর নিঃসন্দেহে পাপাচারী [765]। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমরা যা করো, সব জানেন।
এখানে "সফর" বলতে দুই অবস্থা বোঝায়:
এমন ক্ষেত্রে আয়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বন্ধক রাখা — অর্থাৎ ঋণদাতার নিরাপত্তার জন্য কিছু বস্তু তার হাতে রেখে দেওয়া।
এই আয়াতে বলা হয়েছে, বন্ধক রাখা হলে:
এই বিধান মুস্তাহাব (অনুপ্রেরণামূলক), আবশ্যক নয়।
বন্ধক শুধু সফরে নয়, বরং বাসাতেও বৈধ।
📌 উদাহরণ: রাসূলুল্লাহ ﷺ ইহুদি এক ব্যক্তির কাছে প্রায় ৮০ কেজি যব ধার নিয়েছিলেন, এবং তার কাছে নিজের যুদ্ধবর্ম বন্ধক রেখেছিলেন।
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো লিখিত চুক্তি বা বন্ধক ছাড়াই কারো কাছে ঋণ দেয়, কেবল বিশ্বাস ও আমানতের ভিত্তিতে,
তাহলে যিনি ঋণগ্রহণ করেছেন, তার ওপর দায়িত্ব রয়েছে – সে যেন বিশ্বস্তভাবে তা ফেরত দেয় এবং আল্লাহকে ভয় করে।
এটা শুধুই আইনি দায়িত্ব নয়, বরং ধর্মীয় ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা।
সাক্ষ্য গোপন করা হারাম — তা হোক:
সত্য সাক্ষ্য দেওয়া এক পবিত্র দায়িত্ব, এবং তা গোপন করা মহাপাপ।
সাক্ষ্য গোপন শুধু আইন ভঙ্গ নয়, বরং আত্মিক অপরাধ — এমন একটি পাপ যা সরাসরি অন্তরকে কলুষিত করে।
আল্লাহ বলেন:
"আর যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের সম্মান করে, সেটাই অন্তরের তাকওয়ার প্রমাণ।" (সূরা আল-হজ্জ ২২:৩২)
এ থেকে বোঝা যায়:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 283 তাফসীর